কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
একদিন ধীরে ধীরে মনের উল্লাসে
উপনিত কেতকী-কুশুমশ্রেণী পাশে।
হেরিলাম কত শত শত মধুকর,
সুসোরেভ হয়ে তারা বিমুগ্ধ-অন্তর,
মধুপূর্ণ কমল করিয়া পরিহার,
মধু-আশে কেতকীতে করিছে বিহার;
কিন্তু মধু কোথা পাবে সে কেতকীফুলে!
শুধু হয় ছিন্নপক্ষ কন্টকের হুলে।
তথাপি সে বিমূর অবোধ অলিগণ,
উড়িয়া কমসদলে না করে গমন।
ভাবিলাম এইরূপ মানব সকল,
ত্যজি পরিমলপূর্ণ তত্ব-শতদল;
সুখ-সুধা আশে সদা প্রফুল্ল অন্তরে,
বিষয় কেতকীবনে অনিক্ষণ চরে।
কোথা পাবে সে অমিয়, ব্যর্থ আকিঞ্চন,
সার দুঃখ কন্টকের ডাতনা ভীষণ।
তবু তত্ব-সরজিতে না করে বিহার;
ধিক রে মানব তোরে ধিক শতবার।
একদিন ধীরে ধীরে মনের উল্লাসে
উপনিত কেতকী-কুশুমশ্রেণী পাশে।
হেরিলাম কত শত শত মধুকর,
সুসোরেভ হয়ে তারা বিমুগ্ধ-অন্তর,
মধুপূর্ণ কমল করিয়া পরিহার,
মধু-আশে কেতকীতে করিছে বিহার;
কিন্তু মধু কোথা পাবে সে কেতকীফুলে!
শুধু হয় ছিন্নপক্ষ কন্টকের হুলে।
তথাপি সে বিমূর অবোধ অলিগণ,
উড়িয়া কমসদলে না করে গমন।
ভাবিলাম এইরূপ মানব সকল,
ত্যজি পরিমলপূর্ণ তত্ব-শতদল;
সুখ-সুধা আশে সদা প্রফুল্ল অন্তরে,
বিষয় কেতকীবনে অনিক্ষণ চরে।
কোথা পাবে সে অমিয়, ব্যর্থ আকিঞ্চন,
সার দুঃখ কন্টকের ডাতনা ভীষণ।
তবু তত্ব-সরজিতে না করে বিহার;
ধিক রে মানব তোরে ধিক শতবার।
No comments:
Post a Comment